
বিয়ের দাবিতে কুষ্টিয়া থেকে জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলায় এসে বিয়ের দাবিতে বসে ওই তরুণী । পরে স্থানীয়দের উদ্যোগে সমঝোতার ভিত্তিতে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হলেও তা অস্বীকার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিন্ন বক্তব্য প্রচারের অভিযোগ উঠেছে লিটন হোসেন নামে ওই যুবকের বিরুদ্ধে।
জানা গেছে, গত রোববার (৯ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ওই ভুক্তভোগী তরুণী ক্ষেতলাল উপজেলা সদরে এসে স্থানীয় সংবাদকর্মীদের সহযোগিতা চান। পরে তারা উপজেলার মহব্বতপুর গ্রামের মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে লিটন হোসেনের সঙ্গে সমঝোতার আলোচনা হয়।
একপর্যায়ে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উভয়ের সম্মতিতে ৫ লাখ টাকা কাবিন ধার্য করে স্থানীয় ইউনিয়ন রেজিস্ট্রারের বাড়িতে তাদের বিয়ে সম্পন্ন করা হয়।
বিয়ের পর লিটন তার প্রথম স্ত্রীকে ম্যানেজ করে দ্বিতীয় স্ত্রীকে বাড়িতে নেওয়ার কথা বলে ওই তরুণীকে একটি পরিচিত মেয়ের বাড়িতে রেখে নিজ বাড়িতে যায়। পরে এলাকার কিছু কুচক্রী ব্যক্তির পরামর্শে লিটন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বক্তব্য ছড়িয়ে দেন। সেখানে দাবি করা হয়, তাকে জোর করে ডেকে এনে বিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান মিলন মন্ডল বলেন, মেয়েটি বিষয়টি জানালে তাকে ইউনিয়ন পরিষদে যেতে বলা হয়েছে। ছেলে পক্ষকে ডেকে বিষয়টি যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভুক্তভোগী তরুণী জানান, লিটন প্রবাসে থাকা অবস্থায় মোবাইল ফোনে প্রায় এক বছর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রায় সাত মাস আগে প্রলোভন দেখিয়ে লিটন তাকে মোবাইল ফোনে বিয়ে করেন। পরে দেশে ফিরে লিটন কুষ্টিয়ায় তার বাড়িতে গিয়ে প্রায় তিন মাস তার সঙ্গে সংসার করে হঠাৎ চলে যান। পরে লিটনের দেওয়া ঠিকানা অনুযায়ী ক্ষেতলালে এসে তিনি বিপাকে পড়েছেন।
তিনি বলেন, লিটন আমাকে প্রতারণা করেছে। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত লিটন হোসেনের মুঠোফোন বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলে তিনি বলেন, আমার বিয়ে করা বউ বিএনপি নেতা আবির সহ কয়েজন টাকার দাবি করে তাদের কাছে রেখেছে। টাকা দিলে তারা আমার বউ ফেরত দিবেন। আমি এখনো আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করিনি।
মন্তব্য করুন